Tuesday, January 7, 2014
Friday, December 20, 2013
আউলিয়া কেরামের মাজার শরিফ জিয়ারতের দলিল
প্রমাণ নং ১ : হযরত বুরায়দা (রা:) থেকে বর্ণিত, হযরত রাসূলুলাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ ফরমান, “ইতিপূবে আমি তোমাদেরকে কবর যেয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন থেকে যেয়ারত করো (মুসলিম শরীফ, মেশকাত ১৫৪ পৃষ্ঠা)। ব্যাখ্যা : এ হাদীসের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শায়খ আব্দুল হক মোহাদ্দীসে দেহেলভী (রাহ:) লিখেছেন যে, অজ্ঞতার যুগ সবেমাত্র পার হওয়ায় রাসূলুলাহ (দ:) কবর যেয়ারত নিষেধ করেছিলেন এই আশংকায় যে মুসলমানরা পুরনো জীবনধারায় প্রত্যাবর্তন করবেন। তবে মানুষেরা যখন
সকল ঈদের সেরা ঈদ-ঈদে মিলাদুন্নাবী
সকল
ঈদের সেরা ঈদ-ঈদে মিলাদুন্নাবী
(১) খলীফাতুর রাসুলুল্লাহ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা
আনহু বলেন - “যে ব্যক্তি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম-এর মীলাদ শরীফ পাঠ (মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
উপলক্ষ্যে এক দিরহাম ব্যয় করবে সে জান্নাতে আমার বন্ধু হয়ে থাকবে।” (সুবহানাল্লাহ্) (আন্ নি’মাতুল কুবরা)
(২) আমীরুল মু’মিনীন হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু
তায়ালা আনহু বলেন - “যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লামকে (বিলাদত দিবসকে)বিশেষ মর্যাদা দিল
সে মূলতঃ
হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) এর জীবনের অসাধারন এক কাহানী
একদিন হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) রাসুল (দ:) এর
নিকট এসে কাঁদছেন। রাসুল (দ:) জিজ্ঞেস করলেন, হে আবু হোরায়রা তুমি কেন কাঁদছ? আবু
হোরায়রা বললেন, আমার মা আমাকে মেরেছেন।
রাসুল (দ:) বললেন, কেন তুমিকি কোন
বেয়াদবী করেছ?
আবু হোরায়রা বললেন,
নিকট এসে কাঁদছেন। রাসুল (দ:) জিজ্ঞেস করলেন, হে আবু হোরায়রা তুমি কেন কাঁদছ? আবু
হোরায়রা বললেন, আমার মা আমাকে মেরেছেন।
রাসুল (দ:) বললেন, কেন তুমিকি কোন
বেয়াদবী করেছ?
আবু হোরায়রা বললেন,
Wednesday, December 18, 2013
নবী রাসুলের দেহ মোবারক, মাঠি স্পর্শ করতে পারে না:
হযরত আবু দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূল (দ:) ইরশাদ করেছেন- তোমরা জুমুআর
দিন বেশি বেশি করে আমার উপর দুরুদ পড়। নিশ্চয় ফেরেস্তারা এর উপর
স্বাক্ষ্যি থাকে। আর যখন কেউ আমার উপর দুরুদ পড়ে, তখনই তা আমার নিকট পেশ
করা হয়। আবু দারদা (রাঃ) বলেন- আমি জিজ্ঞাসা করলাম- ইয়া রাসুলাল্লাহ (দ:)
ইন্তেকালের পরেও
Tuesday, December 10, 2013
হযরত খিযির ও মূসা (আঃ)-এর এক অসাধারন কাহিনী
হযরত
ইবনু আব্বাস (রা:) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, হযরত উবাই ইবনু কা‘ব (রা:)
রাসূলুল্লাহ (সা:) হ’তে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, হযরত মূসা (আঃ) একদা
বনী ইসরাঈলের এক সমাবেশে ভাষণ দিতে দাঁড়ালে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হ’ল, কোন
ব্যক্তি সর্বাধিক জ্ঞানী? তিনি বললেন, আমিই সর্বাধিক জ্ঞানী। জ্ঞানকে
আল্লাহর দিকে সোপর্দ না করার কারণে আল্লাহ্ তাকে তিরস্কার করে বললেন,
Sunday, November 24, 2013
রাসুল (দঃ) কে ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ’ বলে আহবান করা জায়েয
হুযুর (আলাইহিস সালাম) কে দূর বা কাছ থেকে আহবান করা বৈধ- তাঁর পবিত্র ইহ-লৌকিক জীবনে ও তাঁর ওফাতের পরেও। তাই একজন ইয়া রাসুলাল্লাহ’ বলে আহবান করুক, কিংবা এক দলের সবাই মিলে সমবেত কন্ঠে ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ’ বলে শ্লোগান দিক এ উভয় ক্ষেত্রে এ আহবান বৈধ। হুযুর (আলাইহিস সালাম) কে আহবান করার স্বপক্ষে প্রমাণাদি কুরআন করীম, ফিরিশতা ও সাহাবীদের কর্মকাণ্ড ও উম্মতের বিবিধ কার্যাবলীতে
বুযুর্গানে কিরামের উরস ও তার প্রমাণসমূহ
এ আলোচনার প্রথম অধ্যায়ে উরসের প্রমাণ দেয়া হয়েছে-
উরসের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ‘শাদী’ । এ জন্যই বর-কনেকে আরবী ভাষায় উরস বলা হয়। বুযুর্গানে দ্বীনের ওফাত দিবসকে এ জন্যই উসর বলা হয় যে, মিশকাত শরীফে -اثبات عذاب القبر শীর্ষক অধ্যায়ে বর্ণিত আছে
উরসের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ‘শাদী’ । এ জন্যই বর-কনেকে আরবী ভাষায় উরস বলা হয়। বুযুর্গানে দ্বীনের ওফাত দিবসকে এ জন্যই উসর বলা হয় যে, মিশকাত শরীফে -اثبات عذاب القبر শীর্ষক অধ্যায়ে বর্ণিত আছে
বিবেকের কাঠগড়ায় বিশ্ব ইজতেমা
এখানে আরো একটি বিষয় লক্ষণীয় যে দেশের স্বাধীনতা লাভের পর থেকে দেশের
প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের মহামান্য প্রধানগন আপন আপন ক্ষমতায় থাকাকালে
তাবলীগ জামাতের আবেদনের ভিত্তিতে টঙ্গীর বিরাট , ভু-খন্ড তাদেরকে প্রদান
করেছেন আর উভয় দলই ইসলামের জন্য তাদের অবদানের তালিকায় এদের প্রতি
প্রদর্শিত বিরাট বদান্যতাকে বিশেষভাবে উল্লেখ করে থাকে। ক্রমশঃ প্রাত্যেক
ক্ষমতাসীন সরকারের আন্তরিকতা
Friday, October 25, 2013
ইসলামের চারটি মাযহাব
ইসলামের চারটি মাযহাব রয়েছে:
১. হানাফী- ইমাম আবূ হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
২. মালেকী- ইমাম মালেক বিন আনাস রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
৩. শাফেয়ী- ইমাম শাফেয়ী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
৪. হাম্বলী- ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
২. মালেকী- ইমাম মালেক বিন আনাস রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
৩. শাফেয়ী- ইমাম শাফেয়ী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
৪. হাম্বলী- ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
আমরা বাংলাদেশিরা প্রায় সবাই হানাফী মাযহাবের মতে আমল করি। কিন্তু তাই
বলে কি
Tuesday, October 22, 2013
ইসলামে নারীর পর্দার মর্যাদা
হিজাব (পর্দা) আল্লাহ্ এবং তার রাসুল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম এর আনুগত্য। পর্দা আল্লাহ্ এবং তার রাসুল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আনুগত্য। কেননা আল্লাহ ও তার রাসুলের আনুগত্য
প্রতিটি নর-নারীর উপর ফরয।
‘আল্লাহ্ বলেন, ‘আল্লাহ্ এবং তার রাসুল কোনো আদেশ করলে কোনো ঈমানদার
পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করার কোনো অধিকার নেই। যে
আল্লাহ্ ও তার রাসুলের আদেশ অমান্য করবে, সে প্রকাশ্য
Sunday, September 8, 2013
হযরত মা ফাতেমা (রাঃ) ৮০ টি নামঃ
১। ফাতেমা
২।
যাহ্রা
৩।
বতুল
৪।
সৈয়্যদা
৫।
মসতুরা
৬।
মা’সুমা
৭।
মরহুমা
৮
রাকেয়া
৯।
সাজেদা
১০।
ছানেয়া
|
মীলাদ শরীফে কিয়ামের প্রমাণ:
কিয়াম অর্থাৎ দন্ডায়মান হওয়া। ইহা ছয় প্রকার যথা- জায়েয, ফরয, সুন্নাত, মুস্তাহাব, মাকরূহ ও হারাম। প্রত্যেক প্রকারের কিয়ামকে সনাক্ত করার নিয়ম যার ফলে সহজেই বোঝা যাবে এ কিয়াম কি ধরণের।
(১) পার্থিব প্রয়োজনে দাঁড়ানো জায়েয। এর হাজার হাজার উদাহরণ রয়েছে। যেমন :-
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের মনের কথা জানেন-
হযরত সালমাহ ইবনে আকওয়া(রা.) হতে বর্ণনা করেছেন- তিনি নবীজির সাথে ছিলেন। হঠাত্ একজন লোক এসে নবীজিকে বললো, ''আপনি কে?'' হুযুর করীম বললেন, ''আমি নবী।'' সে তখন বললো, ''নবী কাকে বলে?'' হুযুর করীম বললেন, ''আল্লাহর প্রেরিত রাসূলকে।'' সে বললো, ''কিয়ামত কবে আসবে?'' হুযুর এরশাদ করলেন,''এটা গায়েবের বিষয়। আর গায়েব আল্লাহ ব্যতীত (তাঁর জানানো ব্যতিরেকে) কেউ জানেনা।'' সে তখন বললো,
নামায ভঙ্গের কারন সমূহঃ
যে সকল কাজ দ্বারা নামায নষ্ট হয়, তাকে“মোফছেদাতে নামাজ” বলে। ঐরূপ কাজ করলে নামায পুনরায় পড়তে হয়।
যেমনঃ-
Subscribe to:
Posts (Atom)